ঠোঁটের উপরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপায়ে

13th May 2024 9:16 pm Country News
ঠোঁটের উপরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপায়ে


ঠোটের উপরে অবাঞ্ছিত লোম যদি বিব্রত করে, তাহলে মাত্র ৫ মিনিটে যদি প্রতিদিন এই ছোট্ট টিপস মেনে চলতে পারেন তাহলে খুব সহজেই লোম তাড়াতাড়ি চলে যাবে। সাধারণত হরমোনের সমস্যার জন্যও এগুলি হয়ে থাকে তাই আর দেরি না করে চটজলদি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আপার লিপ অর্থাৎ ঠোঁটের ওপরের অবাঞ্ছিত লোমকে দূর করুন।এর জন্য আপনাকে রান্নাঘর থেকে কয়েকটা জিনিস সংগ্রহ করতে হবে, তাহলেই কিন্তু আপনার ঠোঁটের ওপরটি অনেক বেশি মসৃণ হয়ে যাবে। খুব বেশি টাকা-পয়সা একেবারেই খরচ করতে হবে না।একটি পাত্রে জল গরম করতে হবে, তার মধ্যে নিয়ে নিতে হবে। তিন থেকে চার টেবিল চামচ চিনি তার মধ্যে দিয়ে দিন এক কাপের মতন দুধ পুরো মিশ্রণটি খুব ভালো করে ফোটাতে হবে। গ্যাস থেকে নামিয়ে নিয়ে তার মধ্যে এক থেকে দুই টেবিল চামচ বেসন এবং সামান্য পরিমাণে হলুদ গুঁড়ো খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ঠোঁটের উপরে হালকা গরম গরম অবস্থায় লাগিয়ে ফেলুন, তারপর অন্তত আধ ঘন্টার মতন রাখুন। এরপরে ঠান্ডা জলের সাহায্যে খুব ভালো করে হাত দিয়ে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন।এইভাবে সপ্তাহে তিন দিন এটি করে দেখতে পারেন, দেখবেন আপনার লোম কতটা হালকা হয়ে গেছে তবে শুধুমাত্র ঠোটের উপরে নয় এইভাবে যদি নিয়ম করে আপনি এটি লাগাতে পারেন, তাহলে দেখবেন আপনার ত্বক কত সুন্দর ও পরিষ্কার হয়ে যাবে, আলাদা করে কোন রকমের রিমুভার ক্রিম আপনাকে ব্যবহার করতে হবে না। এর ভেতরে থাকা চিনি অনেক উপকার করে আপনার হেয়ার গ্রোথকে কমিয়ে দিতে।সতর্কীকরণ- উপরে উল্লেখিত কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়াও কোনো রকম সমস্যা এড়াতে আগে চিকিৎসকের সঙ্গে অবশ্যই কথা বলুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।