সেপ্টেম্বরে ঘরে আসবে নতুন সদস্য, এখনই সন্তানের নাম ঠিক করে ফেলেছেন দীপিকা-রণবীর

1st March 2024 9:10 pm Country News
সেপ্টেম্বরে ঘরে আসবে নতুন সদস্য, এখনই সন্তানের নাম ঠিক করে ফেলেছেন দীপিকা-রণবীর


মা-বাবা হতে চলেছেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিংহ। দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যে আসে এমনই খবর। বৃহস্পতিবার সকালে সেই জল্পনায় সিলমোহর দিলেন হবু বাবা-মা। ‘দীপবীর’-এর ঘরে আসছে নতুন অতিথি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই দুই থেকে তিন হবেন বলিউডের এই ‘পাওয়ার কাপ্‌ল’। দীপিকার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখা, ‘সেপ্টেম্বর ২০২৪’। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে, এই পোস্টে দীপিকা সন্তান জন্মের সময়ও উল্লেখ করেছেন। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বাচ্চার জামা, জুতো, টুপির ‘ইমোজি’ও দিয়েছেন দীপিকা। সন্তান আসতে এখনও মাস আটেক বাকি। তবে তর সইছে না হবু মায়ের। ভাবী সন্তানের নামও নাকি ঠিক করে ফেলেছেন।

রণবীর-দীপিকা দুজনেই বাচ্চা ভালবাসেন। এক সাক্ষাৎকারে দু’জনেই বলেছিলেন, সন্তানের কথা ভাবছেন তাঁরা। সেই সময় দীপিকা বলেন, ‘‘রণবীর আর আমি শিশুদের খুব ভালবাসি। পরিবারে এক অতুন অতিথির আসার অপেক্ষা করছি।” সরাসরি না বললেও আকার-ইঙ্গিতে দীপিকা বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন যে, খুব শীঘ্রই তিনি সুখবর দিতে চলেছেন। শুধু তাই নয়, রণবীর নাকি সন্তানের নামও ঠিক করে ফেলেছেন।

 

দীপিকার মতোই মিষ্টি, আদুরে একটা মেয়ে চান রণবীর। নিজের মনের কথা জানিয়েছিলেন রণবীর। ছেলে হোক অথবা মেয়ে— সন্তান হলে নাম রাখবেন শৌর্যবীর সিংহ। কন্যা না কি পুত্র, রণবীর-দীপিকার ঘর আলো করে কে আসবে, সুখবর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।