ব্যাড কোলেস্টেরল কাবু করতে ভারতীয় ফার্মার নয়া ওষুধ দাম জানলে চোখ কপালে উঠবে

15th January 2024 7:22 am Country News
ব্যাড কোলেস্টেরল কাবু করতে ভারতীয় ফার্মার নয়া ওষুধ দাম জানলে চোখ কপালে উঠবে


বয়স ৪০ হোক কিংবা ৮০, কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন বেশিরভাগ ভারতীয়ই। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের (Bad Cholesterol) বেশি মাত্রা হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকশো গুণ বাড়িয়ে দেয় বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। তাই কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) শরীর থেকে যত দ্রুত বিদায় নেয় ততই স্বাস্থ্যের জন্য মঙ্গল।এবার সেই ব্যবস্থা পাকা করতে ভারতীয় ফার্মা কোম্পানি নোভার্টিস এক নতুন ওষুধ আনছে বাজারে। যার দুই ডোজেই ভ্যানিশ হবে এলডিএল। তবে দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য।

নোভার্টিসের বিশেষজ্ঞরা বলছেন খারাপ কোলেস্টেরল শরীরে বাড়তে শুরু করলে পরবর্তীকালে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। সেই অবস্থা এড়াতে ওষুধ তৈরির গবেষণা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR) এবং মাদ্রাজ রিসার্চ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে সেই প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল। অবশেষে মিলেছে সাফল্য। দ্য ল্যানসেট মেডিক্যাল জার্নালে (The Lancet Medical Journal) এই ওষুধের বিষয়ে লেখা হয়েছে। এই ওষুধের নাম ইনক্লিসিরান(Inclisiran)। এলডিএল কমিয়ে এইচডিএলের (High density lipoprotein)মাত্রা বাড়ালেই শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই মেডিসিন কার্যকরী। মাত্র দুটি ডোজেই এলডিএল-সি, ট্রাইগ্লিসারাইড, এইচডিএল-সি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে বলে দাবি গবেষকদের। তবে এর একটি ডোজেরই দাম এক লাখ টাকার বেশি। প্রথম ডোজ নেওয়ার ৩ থেকে ৬ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়। তাই এই ওষুধ বাজারে আসার পর মধ্যবিত্তের পক্ষে কতটা সুবিধাজনক হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।