বার্ধক্যের আগেই স্মৃতি ফাঁকি দিতে শুরু করেছে? কোন ৩ খাবার খেলে ভুলে যাওয়ার সমস্যা কমবে?

26th December 2023 11:09 am Country News
বার্ধক্যের আগেই স্মৃতি ফাঁকি দিতে শুরু করেছে? কোন ৩ খাবার খেলে ভুলে যাওয়ার সমস্যা কমবে?


সকালেই বন্ধুর সঙ্গে কথা হল, আর বিকেল গড়াতেই ভুলে গেলেন কী কথা হয়েছে। আবার রাতে ফিরে অফিসের দরকারি ফাইলটা কোথায় রেখেছেন, সেটাও বেমালুম ভুলে গিয়েছেন। দ্রুত গতির জীবনে অনেক সময়ে মাথা ঠিক মতো কাজ করে না। স্মৃতিও ফাঁকি দেয় অনেক সময়ে। মনে রাখার জন্য বেছে নিতে হয় স্মার্টফোনের অ্যালার্ম কিংবা রিমাইন্ডারের মতো নানা পথ। আবার ভুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিলে অনেকেই সব কিছু খাতায় লিখে রাখেন। তবে যন্ত্রনির্ভর না হয়ে বরং মস্তিষ্কের যত্ন নেওয়া জরুরি। রোজকার খাবারে এমন কিছু পুষ্টিগুণ রাখতে পারেন, যাতে মস্তিষ্ক সচল থাকবে। কোন খাবারগুলি স্মৃতিশক্তি ভাল রাখে?

বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার

 

বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার ভিটামিন ই-র ভাল উৎস। সঠিক মাত্রার ভিটামিন ই মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখে। স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে নিয়ম করে খেতে পারেন ড্রাই ফ্রুটস। আখরোট, কাজু, পেস্তা, চিনা বাদাম এবং কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিলের বীজ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

ওট্‌স

 

এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে। পেটের নানা সমস্যা দূর করে। শরীরে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে ওট্স। নিয়মিত ওট্‌স খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তো বটেই, সেই সঙ্গে স্মৃতিও ফাঁকি দিতে পারে না। ওট্স শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশেও সাহায্য করে। ওট্‌সের কুকিজ, কেক, বিস্কুট খেতে পারেন।

রঙিন সব্জি

 

টোম্যাটো, রাঙা আলু, কুমড়ো কিংবা গাজরের মতো সব্জিতে অন্যান্য জরুরি উপাদানের সঙ্গেই থাকে ক্যারোটিনয়েড জাতীয় উপাদান। এই উপাদানটি স্নায়ু ভাল রাখতে সহায়তা করে। বিশেষত চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ক্যারোটিনয়েড অত্যন্ত উপযোগী। পাশাপাশি, এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, যা মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মস্তিষ্কের বিকাশে রোজের খাবারে শাকপাতা রাখার কথা বলেন পুষ্টিবিদেরা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।