এআই-এর প্রতি আগ্রহ, জেনে নিন কিভাবে সেখান থেকেই ১৬ বছর বয়সেই ১০০ কোটির সংস্থার মালিক এক কিশোরী?

19th December 2023 9:05 am Country News
এআই-এর প্রতি আগ্রহ, জেনে নিন কিভাবে সেখান থেকেই ১৬ বছর বয়সেই ১০০ কোটির সংস্থার মালিক এক কিশোরী?


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’-এর প্রতি শৈশব থেকেই আগ্রহ কিশোরীর। তা নিয়ে পড়াশোনাও করে প্রচুর। বর্তমানে ১০০ কোটি টাকার ‘এআই’ সংস্থার মালিক ১৬ বছর বয়সি কিশোরী।

মিয়ামির একটি প্রযুক্তি সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে নিজের সংস্থার বিষয়ে প্রথম জানায় প্রাঞ্জলি অবস্তি। জানায়, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নিজস্ব সংস্থা গড়ে তুলেছে সে।

সংস্থার জন্য ৩.৭ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য পেয়েছিল বলে অনুষ্ঠানে জানায় কিশোরী। বর্তমানে এই সংস্থায় ১০ জন কর্মী কাজ করেন।

প্রাঞ্জলি জানায় ‘এআই’-এর প্রতি তার আগ্রহ জন্মায় তার বাবার কারণে। প্রাঞ্জলির বাবার কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ ছিল। তাঁর আগ্রহ দেখেই প্রাঞ্জলি প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে। সাত বছর বয়স থেকে কোডিং শিখছে প্রাঞ্জলি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জটিল কোডিংও রপ্ত করে ফেলে সে।

প্রাঞ্জলির যখন à§§à§§ বছর বয়স তখন কন্যার উচ্চশিক্ষার কথা চিন্তা করে তার বাবা-মা ফ্লোরিডা চলে যান। ফ্লোরিডায় গিয়ে কোডিংয়ের পাশাপাশি ‘মেশিন লার্নিং’ নিয়েও পড়াশোনা শুরু করে প্রাঞ্জলি। কম্পিউটার সায়েন্স এবং অঙ্ক বিষয়েও উচ্চস্তরের পড়াশোনা করে সে। à§§à§© বছর বয়সে ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে প্রশিক্ষণ নেয় প্রাঞ্জলি। অনলাইন মাধ্যমে স্কুলের পড়াশোনাও চালিয়ে যায় কিশোরী। কোভিড অতিমারি চলাকালীন যখন চ্যাটজিপিটি প্রযুক্তি চর্চায় রয়েছে সেই সময় তথ্যগত প্রযুক্তি এবং ‘এআই’ নিয়ে গবেষণা করে নিজের পরিকল্পনাকে বাস্তবের রূপ দেয় প্রাঞ্জলি।

অনলাইন মাধ্যমে যত তথ্য রয়েছে ‘এআই’ প্রযুক্তির মাধ্যমে যেন সকলে তার ব্যবহার করতে পারে, প্রাঞ্জলি সেই প্রচেষ্টায় রয়েছে। মিয়ামিতে একটি স্টার্টআপ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয় প্রাঞ্জলি। সেখানেও প্রশিক্ষণ নিয়ে জ্ঞান অর্জন করে কিশোরী। প্রাঞ্জলি জানায় উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজে ভর্তি হতে চায় সে। কিন্তু সংস্থার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে পড়াশোনা কিছু দিন বন্ধ রাখতে হয়েছে তাকে। প্রাঞ্জলির সংস্থার বর্তমান বাজারমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ১০০ কোটি টাকা। ভবিষ্যতে কলেজের পড়াশোনা শেষ করার পর আবার ব্যবসার কাজই করতে চায় সে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।